ক্যামেরায় ধড়া না পড়লে আপনি কখনই বিশ্বাস করতেন না ভিডিওটি, দেখুন মেয়েটি কি করেছে

0
6593

ক্যামেরায় ধরা না পড়লে আপনি কখোনোই বিশ্বাস করতেন না ঘটনা গুলোঃ বর্তমান আধুনিক যুগে সিসি ক্যামেরা লাগানো থাকে সব জায়গায়। এসব সিসি ক্যামেরায় মাঝে মাঝে ধরা পরে এমন কিছু ঘটনা যা বিশ্বাস করতেও কষ্ট হয়। আমরা অনেকেই অনেক কাজ করি কিন্তু চাইনা এসব কাজ মানুষ কখনও জানুক।

তবে বর্তমান সিসি ক্যামেরার যুগে বলা যায় না কোথায় কোন ক্যামেরা আপনার উপর নজর রাখছে। আর আপনার করা কুকর্মের ভিডিও তৈরি করতে। তাই এখন থেকে সাবধান হোন। বলাতো যায় না সোসাল মিডিয়ার যুগে আপনিও ভাইরাল হয়ে যেতে পারেন।

দেখুন মেয়েটি কি করছে। ভিডিও দেখতে নিচে ক্লিক করুন।

ভিডিওটি পোষ্টের নিচে দেয়া আছে। ভিডিওটি দেখতে স্ক্রল করে পোষ্টের নিচে চলে যান।

শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ঝালমুড়ি, ফুচকা আর ভেলপুরি, সাবধান হয়ে যান আজ থেকে

টিফিনে বা ছুটির ঘণ্টা পড়লেই স্কুলের পাশের দোকানগুলোয় মন ছুটে যায়। সাধারণত ভ্রাম্যমাণ এসব দোকান। সেখানে ঝালমুড়ি, ফুচকা, ভেলপুরি বা বাহারি আচার থরে থরে সাজানো। বাইরের খাবার খাওয়া ঠিক নয়—এমন সাবধানবাণী মা-বাবা বা অন্য অভিভাবক বরাবরই শোনান। তবে ফুচকাওয়ালার দুই চাকার ঠেলা স্টলটিতে ফুলে থাকা ঠাসা ফুচকাগুলো দেখলে মন কি মানে! তাই নিষেধের বাণী তখন মন থেকে হাওয়া।

স্কুলের জন্য দেওয়া বরাদ্দ অর্থ দিয়ে নিজেই শুধু নয়, কখনো কখনো মা-বাবার উপস্থিতিতেই এসব খাবার গোগ্রাসে খাওয়ার দৃশ্য চোখে পড়ে। ছেলেমেয়েদের পীড়াপীড়িতে অভিভাবক বেচারাদের যেন কিছুই করার নেই।

তবে নিশ্চিন্তে যারা বাইরের এসব মুখরোচক খাবার গলাধঃকরণ করছে প্রতিদিন, তাদের জন্য খারাপ খবর আছে। এ খবর দিয়েছে খাবারের মান পরীক্ষায় রাষ্ট্রের একমাত্র রেফারেন্স প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরি (এনএফএসএল)। এক বছর ধরে ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকার ৪৬টি স্কুলের সামনে থেকে তারা ঝালমুড়ি, ফুচকা, ভেলপুরি ও আচারের নমুনা সংগ্রহ করে সেগুলোয় কৃত্রিম রং, ইস্ট, ই-কোলাই, কলিফর্ম, মাইকোটক্সিন, সালমোলিনার মতো শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর সব উপাদান পেয়েছে।

খাবারের নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে ভয়াবহ শঙ্কার কারণ আছে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধপ্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক। তিনি বলেন, যেসব জীবাণু এসব খাদ্যদ্রব্যে পাওয়া গেছে, তাতে খুব সহজেই শিশুরা ডায়রিয়া, আমাশয়, টাইফয়েড, জন্ডিসে আক্রান্ত হতে পারে। আ ব ম ফারুক বলেন, ‘ই-কোলাই ভয়ানক জীবাণু। এখানে আমাশয়ের মতো অসুখের বাইরে মূত্রপথের মারাত্মক সংক্রমণ হতে পারে। সালমোনিলা টাইফয়েডের জীবাণু। মাইকোটক্সিনের কারণে হতে পারে চরম ডায়রিয়া। পচা গম, পচা চালে ফাঙাস জন্মে। এটাই মাইকোটক্সিন। নষ্ট হয়ে যাওয়া মুড়ি থেকে বা পচা ময়দার ভেলপুরি বা ফুচকার পুরি থেকে এটা তৈরি হতে পারে।

এ গবেষণার সঙ্গে থাকা এক গবেষক বলেন, ‘ঢাকার ৫০টির মধ্যে ৪৬টি থানার প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণি এমন প্রতিষ্ঠানের কাছের দোকানগুলো থেকে নমুনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শহরের নামী স্কুল-কলেজ আছে। সব জায়গার খাবারের মান অত্যন্ত নিম্ন।’

গবেষণার জন্য ৪৬টি ঝালমুড়ি, ৩০টি ফুচকা, ১৬টি ভেলপুরি ও ৪২টি আচারের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ৪৬ ঝালমুড়ির সব কটিতেই মাত্রাতিরিক্ত কলিফর্ম এবং ৩টিতে সালমোনিলা পাওয়া যায়। ৩০ ফুচকার সব কটিতে মেলে কলিফর্ম, ইস্ট মোল্ড, ২৭টিতে ই-কোলাই, সব ভেলপুরিতে ই-কোলাই পাওয়া যায়। তবে আচারের পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে ভালো।

এনএফএসএলের প্রধান অধ্যাপক শাহনীলা ফেরদৌসী বলেন, ‘চলতি বছরের মার্চ থেকে এপ্রিল মাসে এসব নমুনা সংগ্রহ করে মাইক্রোবায়োলজিক্যাল পরীক্ষা করা হয় এনএফএসএলের নিজস্ব ল্যাবরেটরিতে।’

এনএফএসএলের খাদ্য গবেষণার এই ফলাফল নিয়ে কথা বলা হয় রাজধানীর মনিপুরীপাড়ার মনিরুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী নাজনীন আক্তারের সঙ্গে। এ দম্পতির একমাত্র ছেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের একটি নামী স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। মনিরুল বলেন, ‘বাচ্চার অনুরোধে আমিই ওকে খাইয়েছি। সব সময় মনে হয়েছে এটা করা ঠিক হচ্ছে না। তারপর সবার দেখাদেখি ছেলে জেদ ধরেছে।’

মনিরুলের স্ত্রী নাজনীন স্কুলের আশপাশে ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকানগুলো থাকার পেছনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যোগসাজশকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, ‘এদের সামান্য লাভের জন্য আমাদের বাচ্চাদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হচ্ছে।’

একাধিক অভিভাবক খাদ্য পরীক্ষার এই ফলাফল জানার পর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, স্কুল কর্তৃপক্ষ, সরকারি প্রশাসন, এমনকি সিটি করপোরেশনকে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এগিয়ে আসতে হবে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায় কতটুকু? প্রশ্নের জবাবে রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ শাহান আরা বেগম বলেন, ‘স্কুলের আশপাশে এসব দোকানির উৎপাত চলছেই। আমরা উঠিয়ে দিলে দূরে গিয়ে বসে। আবার কিছুদিন পর চলে আসে।’ তিনি বলেন, ফুড পয়জনিং শিক্ষার্থীদের প্রায়ই হয়। আবার টাইফয়েডও আছে। খাদ্য পরীক্ষার এই ফলাফল খুবই উদ্বেগজন। তবে এসব নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সহযোগিতা চাই। তারা বা প্রশাসন ছাড়া এগুলো রোধ করা যাবে না।’

স্কুলের পাশের খাদ্যদ্রব্যগুলোর পরীক্ষার ফলাফল তুলে ধরা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহর কাছে। ফলাফল দেখে তিনি বলেন, ‘এটা ভয়াবহ ব্যাপার। প্রাথমিক অবস্থায় পেটের পীড়া নৈমিত্তিক ঘটনা হবে। তবে এসব জীবাণু যদি রক্তে মেশে, তবে শিশুদের মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দেবে। এসব শিশুর বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হবে।’

অধ্যাপক আবদুল্লাহ বলেন, এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রতিরোধই প্রধান অস্ত্র। এর প্রাথমিক প্রতিরোধ আসতে হবে মা-বাবা বা অভিভাবকদের কাছে থেকে। তাদের কর্তব্য হলো সন্তানদের বোঝানো। তিনি এসব খাবার যাঁরা তারা তৈরি করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেন।

আরও যেসব খাদ্যদ্রব্য: এনএফএসএল স্কুলের পাশের খাবারের বাইরে নুডলস, ঘি, সরিষার তেল, সয়াবিন, সেমাই, লাচ্ছা সেমাই, ফুলকপি, বেগুন, শিম, কাঁচা মরিচের ৪১০ ধরনের নমুনা পরীক্ষা করে। ঢাকার বিভিন্ন এলাকার বাইরে কুমিল্লা, রাজশাহী, ফরিদপুর, পাবনা ও যশোর থেকে এসব নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ১৫টি লাচ্ছা ও সাধারণ সেমাই পরীক্ষায় একটি সেমাইয়ে এবং ১০টি লাচ্ছা সেমাইয়ে মাত্রার চেয়ে বেশি পরিমাণ আর্দ্রতা পাওয়া যায়। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৫৫টি নুডলসের মধ্যে ১৩টিতে নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে কম পরিমাণ প্রোটিন মেলে। তবে কোথাও নুডলসে সিসার ক্ষতিকর মাত্রা পাওয়া যায়নি। নমুনায় নেওয়া ৩০টি ফুলকপির মধ্যে ১২টিতে ক্লোরোপাইরিফস–জাতীয় কীটনাশক, কাঁচা মরিচের ৩০টির মধ্যে ১৫টিতে ক্লোরোপাইরিফস পাওয়া যায়।

আপনি কি জানেন রোজ ৩টি করে ডিম খেলে কী হতে পারে…

কোলেস্টেরল বেড়ে যাবে। ওজন বাড়বে হু-হু করে। এই সব শুনে আপনি হয়তো ডিম খাওয়াই বন্ধ করে দিয়েছেন। তাই তো?

গরম সেদ্ধ ডিম চোখের সামনে দেখেও নিজেকে সংযত করে ফেলছেন। ভুল করছেন। হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। আপনি ভুল করছেন।
সাম্প্রতিক গবেষণা ও সমীক্ষায় চিকিত্‍‌সকরা যা বলছেন, তা আপনার ধারণার সঙ্গে একেবারেই মেলে না। জানেন কি? ভালো থাকার জন্য রোজ দুই থেকে ৩টি ডিম খাওয়া উচিত। ডিম কতটা শরীরের জন্য় উপকারী, সাম্প্রতিক গবেষণাই তার প্রমাণ।

১। হৃদরোগের সম্ভাবনা কমায়
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লুইসিয়ানার বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের গবেষণায় ১৫২ জন অতিস্থুল ব্যক্তিদের তিনটি গোষ্ঠীতে ভাগ করা হয়। এক গোষ্ঠীকে বলা হয়, ব্রেকফাস্টে যা ইচ্ছে তাই খেতে। দ্বিতীয় দলকে বলা হয়, ব্রেকফাস্টে দুটি করে ডিম খেতে। তৃতীয় গোষ্ঠীকে বলা হয় ব্যাগেলস খেতে। রেজাল্টে দেখা গিয়েছে, যাঁরা রোজ দুটি করে ডিম খেয়েছেন, তাঁরা বাকি দুই গোষ্ঠীর থেকে ৬৫ শতাংশ বেশি ওজন ঝরিয়েছেন ও ৩৫ শতাংশ পেটের মেদ ঝরিয়েছেন।

ডিমে থাকা প্রচুর পরিমাণ ওমেগা-৩ রক্তে থাকা ট্রাইগ্লিসারিড লেভেল কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। যার জেরে হৃদরোগের সম্ভাবনা কমে।

২। প্রসবজনীত সমস্যার ঝুঁকি কমায়
একটি ডিমে ০.৭ মিলিগ্রাম ভিটামিন B9 থাকে, যাকে ফলিক অ্যাসিডও বলা হয়। গর্ভাবস্থায় শরীরে ফলিক অ্যাসিডের পরিমাণ কম হলে শিশুর সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম ঠিক মতো তৈরি হয় না। ফলে নার্ভের রোগের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

৩। বয়সকে ধরে রাখে
বার্লিনের বিখ্যাত হেল্থ সেন্টার Charité-র গবেষণা বলছে, ডিম ত্বকের বলিরেখা পড়তে দেয় না। ফলে বয়স বৃদ্ধিজনীত ত্বকের সমস্যা কমিয়ে দেয়। চামড়ায় উজ্জ্বলতা আনে। ত্বকের ক্যান্সারও রোধ করে। চিকিত্‍সা বিজ্ঞানীদের মতে, ডিমের কুসুমে প্রাকৃতিক হলুদ রং থাকে। ওই রঙে প্রচুর পরিমাণ ক্যারোটেনয়েড থাকে। যা ত্বককে উজ্জ্বল করে।

৪। ক্যান্সারের সম্ভাবনা কমায়
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, একটি ডিম স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি ১৮ শতাংশ কমিয়ে দেয়। শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে স্তন ক্যান্সারের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

৫। চুল, ত্বক ও লিভার ভালো রাখে
ডিমে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন B12, বায়োটিন ও প্রোটিন থাকে। যা চুলের বৃদ্ধি ও চামড়ার জন্য খুবই উপকারী। বিশেষ করে ডিমের কুসুম চুলের জন্য দারুণ উপকারী।

৬। চোখ ভালো রাখে
ডিমে থাকা প্রচুর পরিমাণ লিউটিন, ভিটামিন A ও zeaxanthin চোখের জন্য খুবই উপকারী। দিনের আলোয় চোখের উপর যে চাপ পড়ে, তা কমিয়ে দেয়। দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়।

৭। ওজন কমায়
ডিম শরীরে ব্যাড ফ্যাট জমতে দেয় না। খিদের মাত্রা কমায়। গুড ফ্যাট ওজন ঝরাতে সাহায্য করে।

৮। হজম ক্ষমতা বাড়ায় ও সুস্থ রাখে
ডিমে থাকে choline, যা শরীরে মেটাবলিজমের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ফলে এনার্জি তৈরি হয়। ওজন ঝরে। গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে প্রিম্যাচিওর বেবি হওয়ার সম্ভাবনা কমায়।

৯। শরীরের হাড় মজবুত করে
ডিমে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D পরিমাণ বেশি থাকায়, হাড় ও দাঁত মজবুত করে। জয়েন্ট পেইন হওয়ার সম্ভাবনা কমায়।

যে সময়ে স্বামী স্ত্রী মিলন ইসলামে হারাম – সকল মুসলমানদের জানা উচিৎ


আমরা অনেকেই হয়ত ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক সহবাসের স্বাভাবিক নিয়ম বা পন্থা সম্পর্কে জানি না। এখানে এ বিষয়ে একটু ধারণা দেয়া হলো যদিও হাদি থেকে বিভিন্ন আসনে সহবাস করার দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়।

তবে সহবাসের স্বাভাবিক পন্থা হলো এই যে, স্বামী উপরে থাকবে আর স্ত্রী নিচে থাকবে। প্রত্যেক প্রাণীর ক্ষেত্রেও এই স্বাভাবিক পন্থা পরিলক্ষতি হয়।সর্বপরি এদিকেই অত্যন্ত সুক্ষভাবে ইঙ্গিতকরা

১। রাত্রি দ্বি-প্রহরের আগেসহবাস করবে না।

২। ফলবান গাছের নিচে স্ত্রী সহবাস করবে না।

৩। সহবাসের প্রথমে দোয়াপড়বেন। স্ত্রী সহবাসের দোয়া।তারপর স্ত্রীকে আলিঙ্গন করবেন।স্ত্রী যদি ইচ্ছা হয় তখন তাকে ভালো বাসা দিবে এবং আদর সোহাগ দিবে। চুম্বন দিবে। তখন উভয়ের মনের পূর্ণ আশা হবে সহবাস।তখন বিসমিল্লাহ বলে শুরু করবেন।

৪। স্ত্রী সহবাস করার সময় নিজের স্ত্রীর রূপ দর্শন শরীর স্পর্শন ও সহবাসের সুফলের প্রতি মনো নিবেশ করা ছাড়া অন্য কোনো সুন্দরি স্ত্রী লোকের বা অন্য সুন্দরী বালিকার রুপের কল্পনা করিবে না। তাহার সাহিত মিলন সুখের চিন্তা করবেন না। স্ত্রীর ও তাই করা উচিৎ।

৫। রবিবারে সহবাস করবেন না।

৬। স্ত্রীর হায়েজ-নেফাসের সময় উভয়ের অসুখের সময় সহবাস করবেননা।

৭। বুধবারের রাত্রে স্ত্রীর সহবাস করবেন না।

৮। চন্দ্র মাসের প্রথম এবং পনের তারিখ রাতে স্ত্রী সহবাস করবেন না।

৯। স্ত্রীর জরায়ু দিকে চেয়ে সহবাস করবেন না। ইহাতে চোখেজ্যোতি নষ্ট হয়ে যায়।

১০। বিদেশ যাওয়ার আগের রাতে স্ত্রী সহবাস করবেন না।

১১। সহবাসের সময় স্ত্রীর সহিত বেশি কথা বলবেন না।

১২। নাপাক শরীরে স্ত্রী সহবাসকবেন না।

১৩। উলঙ্গ হয়ে কাপড় ছাড়া অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করবেন না।

১৪। জোহরের নামাজের পরে

স্ত্রী সহবাস করবেন না।

১৫। ভরা পেটে স্ত্রী সহবাস করবেন না।

১৬। উল্টাভাবে স্ত্রী সহবাস করবেন না।

১৭। স্বপ্নদোষের পর গোসল না করে স্ত্রী সহবাস করবেন না।

১৮। পূর্ব-পশ্চিম দিকে শুয়ে স্ত্রী সহবাস করবেন না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here