গাঁয়ের এক যুবতী রমনী একটু দুরের এক কূয়া থেকে জল তুলছিল, হঠাৎ পাশ দিয়ে……

0
82

গাঁয়ের এক যুবতী রমনী- গাঁয়ের এক যুবতী রমনী একটু দুরের এক কূয়া থেকে জল তুলছিল । পাশ দিয়ে এক বুড়ো হেঁটে যাচ্ছিল ।

যুবতীকে দেখে তার মনে হল, এই নারী জাতির মাঝে এমন কী শক্তি ও কৌশল ও ছলনা রয়েছে, যা দিয়ে তারা রাজাকে – ফকির, বীরকে ভীরু , পাথরকে – মোম, বুড়োকে যুবক বানিয়ে ইচ্ছেমত খেলাতে পারে । তখন বুড়ো এসে তার মনের কথাগুলো ঐ যুবতীকে বললো ।

বুড়োর কথা শুনে যুবতী তার শাড়ির অধিকাংশ খুলে ফেলল । চুল গুলো এলোমেলো করে, আমাকে বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার জুড়ে দিল । বুড়ো তখন মেয়েটিকে বললো, মা আমি তোমার কাছে একটা জিনিস জানতে চাইলাম, আর তুমি কিনা আমার সাথে ছলনা করে, আমাকে এখন মানুষের হাতে মার খাওয়াবে ।

তিনি কেঁদে ফেললেন এবং বললেন এটাই কি তোমাদের আসল রূপ । ঐদিকে লোকেরা লাঠি নিয়ে ছুটে আসতে দেখল, তখন সে কূয়া থেকে এক বালতি জল তুলে সাথে সাথে নিজের শরীরটাকে ভিজিয়ে নিলো এবং বুড়োর কাপড় ও কিছুটা ভিজিয়ে দিল ও জোরে জোরে হাপাতে লাগলো ।

গাঁয়ের এক যুবতী রমনী একটু দুরের এক কূয়া থেকে জল তুলছিল, হঠাৎ পাশ দিয়ে……

লোকেরা এসে জিজ্ঞেস করলো মা তোমার কি হয়েছে? মেয়েটি বললো আমি কূয়াতে পড়ে গিয়ে চিৎকার করছিলাম তখন বুড়ো আমাকে কষ্ট করে কূয়া থেকে উঠিয়েছেন ।

তা না হলে আমি তো আজ মারাই যেতাম । তখন লোকেরা বুড়ো কে বাড়ি নিয়ে অনেক খাতির করলো । যখন তিনি চলে আসবেন তখন মেয়েটি এসে বললো, ” বাবা ” আপনার প্রশ্নের উত্তর কী পেয়েছেন?

কিছু কিছু নারী জাতিরা এই ভাবেই পুরুষদের শিকার করে থাকে । তাই সব সময় নারীদের কাছে ভদ্রতা বজায় রাখুন, আর ছলনাময়ী নারীর থেকে নিজেকে দূরে রাখুন , “নাগিনীর ছোবল খেয়েও অনেক মানুষ বেঁচে যায় । কিন্তু ছলনাময়ী নারীর ছোবলে বেঁচে থাকা বড় কঠিন ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here