রাতে মোবাইল পাশে নিয়ে ঘুমোন? খুব সাবধান!

0
91

মাথার কাছে মোবাইল ফোনটা চালু রেখে কখনও ঘুমোতে যাবেন না। জরুরি এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ, ফোন কল আসার যতই সম্ভাবনা থাকুক না কেন দিনে, রাতে যখনই ঘুমোতে যাবেন, মোবাইলটা হয় বিছানা থেকে বেশ কিছুটা দূরে রাখবেন বা সেটা বন্ধ করে রাখবেন।
না হলেই শিরে সংক্রান্তি! চালু মোবাইলের ওয়াইফাই বিকিরণ ভয়ঙ্কর ক্ষতি করে দেবে আমাদের। যাকে বলে সাড়ে সর্বনাশ!







হালে উত্তর জাটল্যান্ডের নবম শ্রেণির একদল ছাত্রছাত্রী বিভিন্ন রকমের শাকের বীজ নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করে দেখেছে, চালু মোবাইলের ওয়াইফাই বিকিরণ প্রাণের পক্ষে চরম ক্ষতিকারক। তা মৃত্যুও ডেকে আনতে পারে। পরীক্ষার ফলাফলে যথেষ্টই উৎসাহিত ইংল্যান্ড, হল্যান্ড ও সুইডেনের গবেষকরা। এ ব্যাপারে আরও গবেষণা চালাতে চেয়েছেন স্টকহলমের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের বিশিষ্ট গবেষক ওলে জোহানসন। তিনি বেলজিয়ান অধ্যাপক মারি-ক্লেয়ার কামার্তকে সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষাটা আবার করতে চেয়েছেন।







পরীক্ষাটা যারা চালিয়েছে সেই ছাত্রছাত্রীদের অন্যতম লি নিয়েলসন জানিয়েছেন, ৪০০ রকমের শাকের বীজের ওপর তাঁরা পরীক্ষাটা চালিয়েছেন। দু’টি আলাদা ঘরে একই তাপমাত্রায় ৬টি ট্রেতে ওই শাকের বীজগুলিকে রাখা হয়েছিল। ১২ দিন ধরে ওই দু’টি ঘরে রাখা শাকের বীজগুলিকে সম পরিমাণ জল আর সূর্যালোক দেওয়া হয়েছিল তাদের বেড়ে ওঠার জন্য।







তাদের মধ্যে শাকের বীজ রাখা রয়েছে এমন ৬টি ট্রে’কে রাখা হয়েছিল দু’টি ওয়াইফাই রাউটারের কাছাকাছি। সাধারণ মোবাইল ফোন থেকে যতটা বিকিরণ আসে, ওই ওয়াইফাই রাউটারগুলি থেকে বিকিরণ আসে ততটাই। ১২ দিন পর দেখা গেল, ওয়াইফাই রাউটারের কাছে রাখা শাকের বীজগুলি মোটেই বাড়েনি। তাদের বেশির ভাগই হয় শুকিয়ে গিয়েছে বা মরে গিয়েছে। আর যে শাকের বীজ ভরা ট্রে’গুলির ধারে কাছে কোনও ওয়াইফাই রাউটার ছিল না, সেগুলি খুব সুন্দর ভাবে বেড়ে উঠেছে জল আর সূর্যালোক পেয়ে।

মেয়ের রুমে ওহ আহ ব্যথা পাচ্ছি শব্দ শুনে বাবা যখন মেয়ের রুমে গেল, তখন ঘটল ভয়ঙ্কর কাণ্ড







মেয়ের রুমে ওহ আহ শব্দ শুনে- বাবা-মেয়ের সম্পর্কটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র আর শক্তিশালী পারিবারিক বন্ধন বলে বিবেচনা করা হয়। প্রত্যেক বাবার কাছেই নিজের মেয়ে হচ্ছে রাজকুমারী।







কেননা একজন বাবা তার মেয়ের জন্যে সবকিছুকে তুচ্ছজ্ঞান করতে রাজি। কিন্তু সেই রাজকুমারীর হাতেই যদি স্নেহশীল বাবার মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটে, তাহলে পারিবারিক সম্পর্কের প্রতি মানুষের আস্থা ক্রমেই নড়বড়ে হয়ে যায়।

এমনই একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের বস্তী জেলার নইডা আট্টাতে।







ছেলেবন্ধুকে সাথে নিয়ে নিজের বাবা বিশ্বনাথ সাহুকে মেরে ফেলেছেন তারই মেয়ে।

গতকাল রবিবার বিশ্বনাথ সাহুকে খুব খারাপ অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আজ সোমবার ভদ্রলোক মারা যাবার পর তাঁর স্ত্রী নিজের মেয়ে ও তার ছেলে বন্ধুর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার জবানবন্দিতে তিনি জানান, ভোর ৪টার দিকে তাঁর স্বামী নিজের মেয়ের রুম থেকে আজব শব্দ শুনতে পান, তারপর তার রুমে যান। রুমে গিয়ে তিনি মেয়ের বয়ফ্রেন্ড ধর্মেন্দ্র ও তার মেয়েকে সেখানে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান।







মেয়েকে এই অবস্থায় দেখে প্রতিবাদ করার কারণে ধর্মেন্দ্র ও নিজের মেয়ে মিলে বাবা বিশ্বনাথকে মারতে শুরু করেন। দুজনে মিলে তাকে মারতে মারতে তিন তলার ছাদ থেকে নীচে ফেলে দেন। পাশের বাড়ির লোকজনের সহযোগিতায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি।







সপ্তাহে কতবার সহবাস করলে আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো জানুন

সপ্তাহে কতবার সহবাস করলে- সপ্তাহে কতবার সহবাস করা উচিত? রোজ, একদিন অন্তর নাকি শুধুমাত্র সপ্তাহ শেষে? সম্প্রতি আমেরিকান জার্নাল অফ কার্ডিওলজি তে প্রকাশ হয়েছে একটি আর্টিকেল ।

সেখান থেকে জানা যাচ্ছে যে সব পুরুষেরা সপ্তাহে দুবার সেক্স করেছেন তাঁদের হার্ট যারা একবারও সহবাস করেন নি তাদের থেকে অনেকটা ভালো ।







তাই কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ রুখতে পুরুষদের সক্রিয় সেক্স লাইফ থাকা উচিত ।

অর্গাজমের সময় অক্সিটোসিন হরমোন উদ্দীপীত হয় । এর ফলে আপনার রক্তচাপ কম থাকে । আর আমরা সবাই জানি উচ্চ রক্তচাপ হার্টের জন্য কতটা ভয়ঙ্কর ।

এছাড়াও স্ট্রেসের মধ্যে থাকলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভবনা অনেকটা বেড়ে যায় ।







আর আমরা সবাই জানি সেক্সের থেকে ভালো স্ট্রেসবাস্টার আর কিছুই হতে পারে না । এছাড়াও নিয়মিত যৌন সম্ভোগ করলে আপনার ওজনও কমবে । এছাড়াও সেক্সের পর ঘুমও ভালো হয় । ফলে আপনার হার্ট ভালো থাকবে ।







আ স্টাডি ইন বায়োলজিকাল সাইকোলজি থেকে জানা গেছে যাঁরা নিয়মিত মিলিত হন তাদের ব্লাড প্রেসার কন্ট্রোলে থাকে । ফলে এই ব্যক্তিদের হৃদয় সংক্রান্ত রোগের সম্ভবনা অনেকটা কম থাকে । তাই সপ্তাহে অন্তত দু‘বার করে অবশ্যই আপনার পার্টনারের সঙ্গে মিলিত হন ।







LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here