স্টিভ জবসের যে কথা না মানায় জাকারবার্গের দুর্দিন!

0
52

ব্যবহারকারীদের তথ্য নিয়ে ছেলেখেলা কখনোই ঠিক না, এটা কেউ করলে সেটা হবে সবচেয়ে বড় ভুল, বলেছিলেন অ্যাপলের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস।২০১০ সালে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক কনফারেন্সে বক্তব্য দেয়ার সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী এবং নানা শ্রেণীর মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সেখানেই জবস প্রতিষ্ঠানের তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে বেশ কিছু মন্তব্য করেছিলেন।







সেই কনফারেন্সের ফেইসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গও উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বকে বদলে দেয়া প্রযুক্তিবিদ জবসের সেই কথা জাকারবার্গ শুনেছিলেন ঠিকই, তবে কী সেটাতে গুরুত্ব দেননি বলেই আজ গ্রাহকের তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ব্যবহারকারীদের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছেন জাকারবার্গ? অনেকেই বলছেন, জাকারবার্গ জবসের সেই কথা শুনেও মানেননি বলেই ফেইসবুকের এমন দুঃসময় এসেছে।‘সিলিকন ভ্যালির সবাই এক নয়’ বলেছিলেন জবস। ‘ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা নিয়ে আমাদের চিন্তাভাবনা সবার চেয়ে আলাদা’।







অ্যাপল কখনোই গোপনীয়তা ধরে রাখতে বিন্দুমাত্র কার্পণ্য করেনি। এমনকি আইফোন ও ম্যাকের প্রতিটি অ্যাপ ব্যবহারকারীদের কোন তথ্য নিয়ে কি করছে, তা অপারেটিং সিস্টেম থেকেই বার বার বলে দেয়া হয়। অ্যাপ নির্মাতা গ্রাহকদের জানাবে সে আশায় তারা বসে থাকেনি কখনো।বিশেষ করে ক্লাউড ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে দেয়া সেবার ব্যাপারে জবস বলেছিলেন, গোপনীয়তা ধরে রাখা মানে মানুষকে পরিষ্কারভাবে জানানো, তারা সেবা ব্যবহারের মাধ্যমে কী কী তথ্য দেয়ার জন্য সম্মতি দিচ্ছে। আমার বিশ্বাস মানুষ বুদ্ধিমান, কম বেশী সবাই নির্দিষ্ট পরিমাণ তথ্য জানানো নিয়ে আপত্তি করবে না।







তবে তাদের তথ্য কিভাবে ব্যবহার হবে তা বার বার জানাতে হবে। তারা বিরক্ত হলেও জানাতে হবে। তথ্য কোথায় কিভাবে আছে তা জানাতে আমরা বাধ্য’।তথ্য নিরাপত্তা না দেয়ার জন্য জাকারবার্গ বার বার সমালোচনার মুখে পড়েছেন। সেজন্য তিনি ক্ষমা চেয়েছেন ২০০৭, ২০১০, ২০১৪ এবং দুদিন আগেও।অন্তত পাঁচ কোটি গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের ঘটনায় যদিও তৃতীয় পক্ষকে দুষছে ফেইসবুক। তবে গ্রাহকের তথ্যের সুরক্ষা দেবার দায়িত্ব ফেইসবুকেরই। তাই দোষটাও ফেইসবুকের।

মেয়ের রুমে ওহ আহ ব্যথা পাচ্ছি শব্দ শুনে বাবা যখন মেয়ের রুমে গেল, তখন ঘটল ভয়ঙ্কর কাণ্ড







মেয়ের রুমে ওহ আহ শব্দ শুনে- বাবা-মেয়ের সম্পর্কটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র আর শক্তিশালী পারিবারিক বন্ধন বলে বিবেচনা করা হয়। প্রত্যেক বাবার কাছেই নিজের মেয়ে হচ্ছে রাজকুমারী।







কেননা একজন বাবা তার মেয়ের জন্যে সবকিছুকে তুচ্ছজ্ঞান করতে রাজি। কিন্তু সেই রাজকুমারীর হাতেই যদি স্নেহশীল বাবার মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটে, তাহলে পারিবারিক সম্পর্কের প্রতি মানুষের আস্থা ক্রমেই নড়বড়ে হয়ে যায়।

এমনই একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের বস্তী জেলার নইডা আট্টাতে।







ছেলেবন্ধুকে সাথে নিয়ে নিজের বাবা বিশ্বনাথ সাহুকে মেরে ফেলেছেন তারই মেয়ে।

গতকাল রবিবার বিশ্বনাথ সাহুকে খুব খারাপ অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আজ সোমবার ভদ্রলোক মারা যাবার পর তাঁর স্ত্রী নিজের মেয়ে ও তার ছেলে বন্ধুর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার জবানবন্দিতে তিনি জানান, ভোর ৪টার দিকে তাঁর স্বামী নিজের মেয়ের রুম থেকে আজব শব্দ শুনতে পান, তারপর তার রুমে যান। রুমে গিয়ে তিনি মেয়ের বয়ফ্রেন্ড ধর্মেন্দ্র ও তার মেয়েকে সেখানে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান।







মেয়েকে এই অবস্থায় দেখে প্রতিবাদ করার কারণে ধর্মেন্দ্র ও নিজের মেয়ে মিলে বাবা বিশ্বনাথকে মারতে শুরু করেন। দুজনে মিলে তাকে মারতে মারতে তিন তলার ছাদ থেকে নীচে ফেলে দেন। পাশের বাড়ির লোকজনের সহযোগিতায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি।







সপ্তাহে কতবার সহবাস করলে আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো জানুন

সপ্তাহে কতবার সহবাস করলে- সপ্তাহে কতবার সহবাস করা উচিত? রোজ, একদিন অন্তর নাকি শুধুমাত্র সপ্তাহ শেষে? সম্প্রতি আমেরিকান জার্নাল অফ কার্ডিওলজি তে প্রকাশ হয়েছে একটি আর্টিকেল ।

সেখান থেকে জানা যাচ্ছে যে সব পুরুষেরা সপ্তাহে দুবার সেক্স করেছেন তাঁদের হার্ট যারা একবারও সহবাস করেন নি তাদের থেকে অনেকটা ভালো ।







তাই কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ রুখতে পুরুষদের সক্রিয় সেক্স লাইফ থাকা উচিত ।

অর্গাজমের সময় অক্সিটোসিন হরমোন উদ্দীপীত হয় । এর ফলে আপনার রক্তচাপ কম থাকে । আর আমরা সবাই জানি উচ্চ রক্তচাপ হার্টের জন্য কতটা ভয়ঙ্কর ।

এছাড়াও স্ট্রেসের মধ্যে থাকলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভবনা অনেকটা বেড়ে যায় ।







আর আমরা সবাই জানি সেক্সের থেকে ভালো স্ট্রেসবাস্টার আর কিছুই হতে পারে না । এছাড়াও নিয়মিত যৌন সম্ভোগ করলে আপনার ওজনও কমবে । এছাড়াও সেক্সের পর ঘুমও ভালো হয় । ফলে আপনার হার্ট ভালো থাকবে ।







আ স্টাডি ইন বায়োলজিকাল সাইকোলজি থেকে জানা গেছে যাঁরা নিয়মিত মিলিত হন তাদের ব্লাড প্রেসার কন্ট্রোলে থাকে । ফলে এই ব্যক্তিদের হৃদয় সংক্রান্ত রোগের সম্ভবনা অনেকটা কম থাকে । তাই সপ্তাহে অন্তত দু‘বার করে অবশ্যই আপনার পার্টনারের সঙ্গে মিলিত হন ।







LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here